ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশীয় উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগে অভিযান, আড়ৎদারকে জরিমানা

যশোরের মাছ বাজারে ভারতীয় ‘বরিশালের ইলিশ’!

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ মাছকে দেশীয় ইলিশ বলে বিক্রি করার অভিযোগে অভিযান -কপোতাক্ষ

যশোর শহরের বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ মাছকে দেশীয় ইলিশ বলে বিক্রি করার অভিযোগে এক আড়তদারকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ (বুধবার) দুপুরে বড়বাজারের মাছ বাজারে অভিযান চালিয়ে কর্ণফুলী ফিস নামের একটি আড়তকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে ভারতীয় ইলিশের নির্ধারিত মূল্য ও ক্রয় বিক্রয়ের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আড়তদার। এসময় মাছ বাজারের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি দোকান মনিটরিং করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত মূল্যে ভারতীয় ইলিশ বিক্রি এবং আমদানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের যশোরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, দেশের বাজারের ঘাটতি মেটাতে ভারত থেকেই ইলিশ আসছে ‘ইলিশের দেশে’। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ১৯টি আমদানিকারকের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।

এই আমদানিকৃত ইলিশই দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ‘বরিশালের ইলিশ’ নামে। সাধারণ ক্রেতারা চড়া দামে তা কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেশীয় উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগে অভিযান, আড়ৎদারকে জরিমানা

যশোরের মাছ বাজারে ভারতীয় ‘বরিশালের ইলিশ’!

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর শহরের বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ মাছকে দেশীয় ইলিশ বলে বিক্রি করার অভিযোগে এক আড়তদারকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ (বুধবার) দুপুরে বড়বাজারের মাছ বাজারে অভিযান চালিয়ে কর্ণফুলী ফিস নামের একটি আড়তকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে ভারতীয় ইলিশের নির্ধারিত মূল্য ও ক্রয় বিক্রয়ের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আড়তদার। এসময় মাছ বাজারের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি দোকান মনিটরিং করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত মূল্যে ভারতীয় ইলিশ বিক্রি এবং আমদানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের যশোরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, দেশের বাজারের ঘাটতি মেটাতে ভারত থেকেই ইলিশ আসছে ‘ইলিশের দেশে’। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ১৯টি আমদানিকারকের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।

এই আমদানিকৃত ইলিশই দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ‘বরিশালের ইলিশ’ নামে। সাধারণ ক্রেতারা চড়া দামে তা কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।