ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৫ বছর পর ভোট দিলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম -কপোতাক্ষ

যশোরে ৩৫ বছর পর ভোট দিলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম। আজ (বৃহস্পতিবার) যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিগত সময়ে একদলীয় ভোট এবং তার আগে ভোটের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ভোট আর দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ভোট দিয়েছিলেন ৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে।

যশোর শহরের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা অধ্যাপক রবিউল ইসলাম যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, ছাত্রজীবনে ডাকসুতে ভোট দিয়েছি। সর্বশেষ ৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। এরপর ৯৩ সালে ১৪তম বিসিএস-এ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করি। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে হতো। ফলে নিজের ভোট আর দেওয়া হয়নি। তবে ২০১৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার পর আর নির্বাচনের দায়িত্ব পড়েনি। কিন্তু সেই সময় একদলীয় নির্বাচনের কারণে আর ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়নি। ফলে ২০১৮ বা ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে যাননি। কিন্তু এবার ভোটে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। এ কারণে ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে এসেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৩৫ বছর পর ভোট দিলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরে ৩৫ বছর পর ভোট দিলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম। আজ (বৃহস্পতিবার) যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিগত সময়ে একদলীয় ভোট এবং তার আগে ভোটের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ভোট আর দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ভোট দিয়েছিলেন ৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে।

যশোর শহরের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা অধ্যাপক রবিউল ইসলাম যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, ছাত্রজীবনে ডাকসুতে ভোট দিয়েছি। সর্বশেষ ৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। এরপর ৯৩ সালে ১৪তম বিসিএস-এ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করি। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে হতো। ফলে নিজের ভোট আর দেওয়া হয়নি। তবে ২০১৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার পর আর নির্বাচনের দায়িত্ব পড়েনি। কিন্তু সেই সময় একদলীয় নির্বাচনের কারণে আর ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়নি। ফলে ২০১৮ বা ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে যাননি। কিন্তু এবার ভোটে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। এ কারণে ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে এসেছেন তিনি।