ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তিনদিন পর কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের জয়

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

ম্যাড়ম্যাড়ে দিন শেষে রোদেলা বিকেল, সূর্যি মামার দেখা -কপোতাক্ষ

যশোরে তিনদিন পর আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে বহু প্রতীক্ষিত সূর্যের দেখা মিলেছে। টানা এগার দিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে সূর্যি মামার দেখা পাওয়ায় মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

অবশ্য দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে অবস্থান করে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণে শীতের দাপট চলছে সমানতালে। ফলে দুর্ভোগের মাত্রাও বেড়েছে যাপিত জীবনে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া, গত এগার দিন ধরেই এই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে। এই মৌসুমে চারদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

আর মঙ্গলবার বিকেলের আগে তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘোরাফেরা করছে। এখন প্রতিদিন রাত থেকেই কুয়াশার জাল ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। ভোরে কুয়াশা গাঢ় হয়ে যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার জাল স্বচ্ছ হয়ে আসলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। সেইসাথে দিনভর হিমেল হাওয়ায় কাঁপন জাগাচ্ছে হাড়ে। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক আব্দুর রহিম জানান, শীতে প্রয়োজন ছাড়া রাস্তাঘাটে মানুষ কম বের হচ্ছে। স্কুল-কলেজ খুলে যাওয়ায় কিছু যাত্রী মিলছে। কিন্তু ঠান্ডায় রিকশা চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাতাসে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।

খড়কি এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক জিয়াদ আলী জানান, শীতে ভাড়া কম পাওয়া যাচ্ছে। যাও পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তিনদিন পর কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের জয়

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরে তিনদিন পর আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে বহু প্রতীক্ষিত সূর্যের দেখা মিলেছে। টানা এগার দিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে সূর্যি মামার দেখা পাওয়ায় মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

অবশ্য দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে অবস্থান করে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণে শীতের দাপট চলছে সমানতালে। ফলে দুর্ভোগের মাত্রাও বেড়েছে যাপিত জীবনে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া, গত এগার দিন ধরেই এই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে। এই মৌসুমে চারদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

আর মঙ্গলবার বিকেলের আগে তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘোরাফেরা করছে। এখন প্রতিদিন রাত থেকেই কুয়াশার জাল ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। ভোরে কুয়াশা গাঢ় হয়ে যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার জাল স্বচ্ছ হয়ে আসলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। সেইসাথে দিনভর হিমেল হাওয়ায় কাঁপন জাগাচ্ছে হাড়ে। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক আব্দুর রহিম জানান, শীতে প্রয়োজন ছাড়া রাস্তাঘাটে মানুষ কম বের হচ্ছে। স্কুল-কলেজ খুলে যাওয়ায় কিছু যাত্রী মিলছে। কিন্তু ঠান্ডায় রিকশা চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাতাসে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।

খড়কি এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক জিয়াদ আলী জানান, শীতে ভাড়া কম পাওয়া যাচ্ছে। যাও পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু গাড়ি চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে।