ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

যশোর পাইলস কিওর সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা -কপোতাক্ষ

যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে আজ (বুধবার) যশোর শহরের বঙ্গবাজারে অবস্থিত যশোর পাইলস কিওর সেন্টার নামীয় একটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানকালে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ডা. এইচএসএম আব্দুর রব নিজেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও দীর্ঘদিন অবৈধভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা প্রদান ও পাইলসের অস্ত্রোপচার পরিচালনা করে আসছিলেন।

চেম্বার তল্লাশি করে সেখানে কোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ পাওয়া যায়নি, বরং বিপুল পরিমাণ অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ মজুত থাকার প্রমাণ মেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বীকার করেন যে, তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেও দীর্ঘদিন অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা ও পাইলসের অপারেশন পরিচালনা করে আসছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতবর্ষের কলকাতা থেকে এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং প্রায় ৩৫ বছর ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাসুদেব বালু অভিযুক্ত ডা. এইচএসএম আব্দুর রবকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে এমডিআরএস ডা. রওশনারা লিজা এবং যশোর মেডিকেল কলেজের কোলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান পান্নু উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে আজ (বুধবার) যশোর শহরের বঙ্গবাজারে অবস্থিত যশোর পাইলস কিওর সেন্টার নামীয় একটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানকালে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ডা. এইচএসএম আব্দুর রব নিজেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও দীর্ঘদিন অবৈধভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা প্রদান ও পাইলসের অস্ত্রোপচার পরিচালনা করে আসছিলেন।

চেম্বার তল্লাশি করে সেখানে কোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ পাওয়া যায়নি, বরং বিপুল পরিমাণ অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ মজুত থাকার প্রমাণ মেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বীকার করেন যে, তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেও দীর্ঘদিন অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা ও পাইলসের অপারেশন পরিচালনা করে আসছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতবর্ষের কলকাতা থেকে এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং প্রায় ৩৫ বছর ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাসুদেব বালু অভিযুক্ত ডা. এইচএসএম আব্দুর রবকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে এমডিআরএস ডা. রওশনারা লিজা এবং যশোর মেডিকেল কলেজের কোলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান পান্নু উপস্থিত ছিলেন।