ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আগামীদিনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যাদের পক্ষে রায় দেবে, তারাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে -অমিত

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন -কপোতাক্ষ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিএনপি কখনো দেশের জনগণের চিন্তার বাইরে যায়নি আগামীতেও যাবে না। বিএনপি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আর সেই গণতন্ত্র মানে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন। আগামীদিনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যাদের পক্ষে রায় দেবে, তারাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।

যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ওলামা-মশায়েখদের ভূমিকা, দেশ পুর্নগঠনে ওলামা-মশায়েখদের করনীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আজ (মঙ্গলবার) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্ব করেন। মূখ্য আলোচক ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।

আলোচনাসভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, দীর্ঘ ১৬ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দেশের ওলামা-মাশায়েখদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল। বিএনপি বিশ্বাস করে ফ্যাসিবাদবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনে আলেম-ওলামাদের রক্ত ঝরেছিল। দেশের আলেম সমাজের প্রতি এই কৃতজ্ঞতা বোধ বিএনপির মধ্যে রয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, যেখানে আলেম-ওলামারা দাড়ি রাখতে এবং মাথায় টুপি পরতে ভয় পেত। দাড়ি এবং টুপি পরাটাও যেন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বিএনপি বারংবার এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে। সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যখন উপলদ্ধি করেছে হাসিনা কত বড় ফ্যাসিস্ট, তখন তারা এক কাতারে এসেই গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করলেও এবং বিএনপি জনগণের সাথে সেই কৃতিত্ব ভাগ করে নিয়েছে। গেল ৫ আগস্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতায় যশোরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পেরেছিলাম।

যারা ধর্ম নিয়ে কথা বলে কিংবা রাজনীতি করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। ধর্ম চর্চার বিষয়, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। কিন্ত রাজনীতিতে ইসলামকে ব্যবহার করবো, কিন্তু চরিত্রে ইসলামকে ধারণ করবো না এটি ইসলামের শিক্ষা নয়। তাই সকলের চরিত্রে ইসলামকে ধারণ করতে হবে। বিএনপি কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে বিশ্বাস করে না এবং করতে দেবে না। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবীত হয়ে দেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম সন্নিবেশ করেছিলেন। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাস এবং আস্থার কথাটিও উনি যুক্ত করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া যেভাবে ইসলাম খেদমত করার পাশাপাশি আলেম সমাজের ইজ্জত সম্মান দিয়েছেন আগামী দিনে তাদের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তারেক রহমানও ঠিক একই কাজটি করবেন। তার হাত দিয়ে এই বাংলাদেশ কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোনো কর্মকান্ড হবে না ইনশাআল্লাহ।

আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা মুফতি মুজিবুর রহমান, মাওলানা নাজির উদ্দিন, মাওলানা হামিদুল ইসলাম, মাওলানা বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ড. মাসুদুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগামীদিনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যাদের পক্ষে রায় দেবে, তারাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে -অমিত

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিএনপি কখনো দেশের জনগণের চিন্তার বাইরে যায়নি আগামীতেও যাবে না। বিএনপি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আর সেই গণতন্ত্র মানে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন। আগামীদিনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যাদের পক্ষে রায় দেবে, তারাই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।

যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ওলামা-মশায়েখদের ভূমিকা, দেশ পুর্নগঠনে ওলামা-মশায়েখদের করনীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আজ (মঙ্গলবার) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্ব করেন। মূখ্য আলোচক ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।

আলোচনাসভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, দীর্ঘ ১৬ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দেশের ওলামা-মাশায়েখদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল। বিএনপি বিশ্বাস করে ফ্যাসিবাদবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনে আলেম-ওলামাদের রক্ত ঝরেছিল। দেশের আলেম সমাজের প্রতি এই কৃতজ্ঞতা বোধ বিএনপির মধ্যে রয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, যেখানে আলেম-ওলামারা দাড়ি রাখতে এবং মাথায় টুপি পরতে ভয় পেত। দাড়ি এবং টুপি পরাটাও যেন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বিএনপি বারংবার এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে। সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যখন উপলদ্ধি করেছে হাসিনা কত বড় ফ্যাসিস্ট, তখন তারা এক কাতারে এসেই গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করলেও এবং বিএনপি জনগণের সাথে সেই কৃতিত্ব ভাগ করে নিয়েছে। গেল ৫ আগস্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতায় যশোরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পেরেছিলাম।

যারা ধর্ম নিয়ে কথা বলে কিংবা রাজনীতি করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। ধর্ম চর্চার বিষয়, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। কিন্ত রাজনীতিতে ইসলামকে ব্যবহার করবো, কিন্তু চরিত্রে ইসলামকে ধারণ করবো না এটি ইসলামের শিক্ষা নয়। তাই সকলের চরিত্রে ইসলামকে ধারণ করতে হবে। বিএনপি কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে বিশ্বাস করে না এবং করতে দেবে না। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবীত হয়ে দেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম সন্নিবেশ করেছিলেন। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাস এবং আস্থার কথাটিও উনি যুক্ত করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া যেভাবে ইসলাম খেদমত করার পাশাপাশি আলেম সমাজের ইজ্জত সম্মান দিয়েছেন আগামী দিনে তাদের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তারেক রহমানও ঠিক একই কাজটি করবেন। তার হাত দিয়ে এই বাংলাদেশ কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোনো কর্মকান্ড হবে না ইনশাআল্লাহ।

আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা মুফতি মুজিবুর রহমান, মাওলানা নাজির উদ্দিন, মাওলানা হামিদুল ইসলাম, মাওলানা বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ড. মাসুদুর রহমান।