প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
- আপডেট সময় : ১১:৫৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ হয়েছে।
আজ (বুধবার) দুপুরে শহরের টাউন হল ময়দানে নগর ও সদর উপজেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ ও শোভাযাত্রায় কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম প্রধান অতিথি এবং বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিশেষ অতিথি ছিলেন।
সমাবেশ শেষে টাউন হল ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের দড়াটানা মোড়, চৌরাস্তা মোড়, আরএন রোড় হয়ে মনিহারে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান খান, মারুফুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দার হোসেন খান, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা তরফদার রয়েল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন আহমেদ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন লিটন প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুম ও সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
শোভাযাত্রায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রেজা দুলু, অ্যাড. মো. ইসহক, জাফর সাদিক, আব্দুস সালাম আজাদ, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণ বিএনপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছিল। কারণ তারা বিশ্বাস করতো একমাত্র বিএনপিই পারে নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে। সেই কারণে দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে একমাত্র বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিদিন প্রতি মুহুর্ত লড়াই করেছে। আর কোনো রাজনৈতিক শক্তি নেই যারা দীর্ঘ ১৬ বছরের প্রতিদিন প্রতি মুহুর্ত লড়াই করেছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এবং র্যাব পুলিশের বুলেটকে আলিঙ্গন করে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের নিবেদন এবং জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা কতটুকু দৃঢ়তা। সেই দীর্ঘ লড়াই, সংগ্রামে আমাদের আত্মত্যাগের একটি লক্ষ্য ছিল জনগণের কাঙ্খিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বির্নিমাণ করা।



















