‘কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি প্রত্যাহার
বেনাপোল বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য
- আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৪১৫ বার পড়া হয়েছে
বেনাপোলে কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম আজ (সোমবার) থেকে পুরোমাত্রায় শুরু হয়েছে। এতে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোলে।
রাজস্ব কর্মকর্তারা সকাল থেকে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে পণ্যের পরীক্ষণ, শুল্কায়ন ও খালাস সংক্রান্ত সকল কাজকর্ম পুরোদমে শুরু করেছেন। এতে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি রপ্তানি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। হ্যান্ডেলিং শ্রমিকরা বন্দরে পণ্য উঠানামার কাজও স্বতঃস্ফুর্তভাবে করছে বলে জানান বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।
বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসেসিয়েশনের কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ বলেন, সোমবার সকালে কাস্টম হাউসের রাজস্ব যোদ্ধারা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। এতে ব্যবসায়ীরা খুবই সন্তষ্ট।
আমদানিকারকের প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বেনাপোল বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় তার ১৫-২০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের মালামাল আটকে রয়েছে। এর মধ্যে আকিজ প্রিন্টিং ইঙ্ক, হোলসিম সিমেন্ট ও বার্জার পেইন্টের কাঁচামাল আছে। কাস্টমস কর্মকর্তাদের কলম বিরতি ও কমপ্লিট শাটডাউনের কারণে এসব মালামাল বন্দর থেকে ছাড় করানো সম্ভব হয়নি। এসব আমদানিকারকের ফ্যাক্টরিতে কাঁচামাল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আমরা দ্রুত এসব মালামাল ছাড় করানোর কাজ করছি।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, কাস্টম হাউজে সকাল থেকেই কাজ চলছে। অনেক কাজ জমা পড়েছে। তাই বিভিন্ন সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে কাজ করছে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন বলেন, আমি এখন কাস্টম হাউজে আছি। কাজ করছি। বিভিন্ন ফ্যাক্টরির তিন কনসাইনমেন্ট পণ্যের শুল্ককরাদি পরিশোধ করার পরও পণ্যচালান খালাস নিতে পারিনি। সেটা ছাড় করার পাশাপাশি পাঁচটা কনসাইনমেন্টের কাজ চলমান রয়েছে। এসব পণ্য দ্রুত ফ্যাক্টরিতে প্রয়োজন। তাই স্টাফদের নিয়ে পরীক্ষণ, শুল্কায়ন ও পণ্যচালান খালাসের কাজে ব্যস্ত আছি।
উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের আহ্বানে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে রাজস্ব কর্মকর্তারা গত ২৩ জুন সকাল ৯টা থেকে ১২টা, পরদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা এবং বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলম বিরতি পালন করেন।



















