এক সপ্তাহে তিনজনের মৃত্যু
ফের করোনার বিস্তার যশোরে
- আপডেট সময় : ০২:২৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
ফের করোনা বিস্তারের মাঝে যশোরে প্রথম শনাক্ত নারীর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে যশোরে করোনা আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হলো। সর্বশেষ মৃত সাবিলা বেগম (৫৫) সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার গদখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী ও যশোর কোতোয়ালি থানায় কর্মরত নারী এসআই (নিরস্ত্র) মিনারা আলমের শাশুড়ি। তিনি বেজপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত বুধবার দিনগত রাতে (১৮ জুন) যশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ইউসুফ হোসেন (৪২) মারা যান। মৃত ইউসুফ হোসেন মণিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাঠি গ্রামের বাসিন্দা।
আর বুধবার ভোররাতে (১৭ জুন) করোনায় বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ আমির হোসেনের (৬৮) মৃত্যু হয়। তিনিও যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া করোনা সন্দেহে তিন রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে আজ (শনিবার) থেকে হাসপাতালে করোনার র্যাপিট অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা শুরু হওয়ায় চিকিৎসকদের আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করতে হবে না।
হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন সাবিলা ঠান্ডা, কাশি ও জ্বর নিয়ে যশোরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। গত ১২ জুন বিকাল সাড়ে ৫টায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘ আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডাক্তার রবিউল ইসলাম তুহিন জানান, রোগীর শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা ও আগে থেকেই কিছু শারীরিক সমস্যা ছিল, যা করোনা সংক্রমণের ফলে আরও জটিল আকার ধারণ করে। তিনি আরও জানান, মরদেহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হোসাইন শাফায়েত বলেন, করোনা পরীক্ষার জন্য ২ হাজার র্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট বৃহস্পতিবার বিকালে হাসপাতালে এসেছে। আজ (শনিবার) থেকে হাসপাতালে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হয়েছে।



















