ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্পিত সম্পত্তি দখল

নড়াইলের একজনের কারাদণ্ড

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, যশোর -ফাইল ছবি

জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের অর্পিত সম্পত্তি দখলের দায়ে হাবিবুর রহমান নামে একব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ (বৃহস্পতিবার) যশোরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক এস. এম. নূরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। বিশেষ পিপি মো. মহসীন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত হাবিবুর রহমান নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার সিংগা গ্রামের মৃত রাঙ্গা মিয়া শেখের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, হাবিবুর রহমান জাল কাগজপত্র তৈরি করে লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী মৌজার বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি নিজ ও তার পিতার নামে নামজারি করার চেষ্টা করেন। তদন্তে দেখা যায়, তিনি বালাম বইয়ের পাতা পরিবর্তন এবং ভ্যানিশিং কালি ব্যবহার করে নথিপত্রে ঘষামাজা করে মালিকানা প্রমাণের অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই জালিয়াতির সত্যতা খুঁজে পায়। এ কারণে ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বিচারক দণ্ডবিধির ৪টি ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরমধ্যে ৪২০ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৬৭ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৬৮ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৭১ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। সবকটি ধারার সাজা একইসাথে চলবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।

একইসাথে আসামি হাবিবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যশোরে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্পিত সম্পত্তি দখল

নড়াইলের একজনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের অর্পিত সম্পত্তি দখলের দায়ে হাবিবুর রহমান নামে একব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ (বৃহস্পতিবার) যশোরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক এস. এম. নূরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। বিশেষ পিপি মো. মহসীন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিত হাবিবুর রহমান নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার সিংগা গ্রামের মৃত রাঙ্গা মিয়া শেখের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, হাবিবুর রহমান জাল কাগজপত্র তৈরি করে লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী মৌজার বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি নিজ ও তার পিতার নামে নামজারি করার চেষ্টা করেন। তদন্তে দেখা যায়, তিনি বালাম বইয়ের পাতা পরিবর্তন এবং ভ্যানিশিং কালি ব্যবহার করে নথিপত্রে ঘষামাজা করে মালিকানা প্রমাণের অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই জালিয়াতির সত্যতা খুঁজে পায়। এ কারণে ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বিচারক দণ্ডবিধির ৪টি ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরমধ্যে ৪২০ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৬৭ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৬৮ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৪৭১ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। সবকটি ধারার সাজা একইসাথে চলবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।

একইসাথে আসামি হাবিবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।