শার্শার পল্লী চিকিৎসক আলামিন হত্যায় তিনজন আটক
- আপডেট সময় : ০৫:৪১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ গাতিপাড়া গ্রামে পল্লী চিকিৎসক আলামিন হত্যার একদিন পর পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ (শনিবার) তাদের যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আটককৃতরা হলেন : শার্শার নাভারণ দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলাউদ্দিন আলা, একই গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে লালন হোসেন ও আব্দুল কাদেরের ছেলে সেলিম মিয়া। আটককৃতরা শার্শা উপজেলা বিএনপির একজন শীর্ষ নেতার ছত্রছায়ায় থাকেন বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত আলাউদ্দিন যুবদলের সক্রিয় সদস্য এবং অন্য দুইজনও যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আলাউদ্দিন ও সেলিম নাভারণ এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ এবং মাদক ব্যবসায়ি। নাভারণ এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি আয়নাল জয়নালের ভাই সেলিম।
নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, আলামিন বেশ কিছুদিন আগে একজন পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে বিয়ে করেন। তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে শার্শার কুলফালা গ্রামে রেখে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। মাস তিনেক আগে নাভারণ এলাকায় এরই সূত্র ধরে আটককৃত আসামিরা আলমিনকে মারধর করে এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে।
পুলিশ জানায়, শার্শা উপজেরা বিএনপির একজন শীর্ষ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে তিন সন্ত্রাসী নাভারণ এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে দীর্ঘদিন। বিএনপির ঐ নেতা তাদের থানা থেকে ছাড়ানোর জন্য নিজেই থানায় গিয়েছিলেন। পুলিশের শক্ত অবস্থানের কারণে তাদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান।
শার্শা থানা ওসি (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, আলামিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকায় তিনজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলাউদ্দিন আলা, সেলিম ও লালন হত্যাকান্ডে জড়িত থাকাার কথা স্বীকার করেছে। শনিবার তাদের যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আলামিন হত্যাকান্ডে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে । মামলা নং ১৩ তারিখ ২০/০২/১৬।
উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে আলামিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।



















