ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হুইলচেয়ারে এসে ভোট দিয়ে অশীতিরপর জরিনা বেগমের সন্তুষ্টি

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

হুইলচেয়ারে এসে ভোট দেন অশীতিপর বৃদ্ধা জরিনা বেগম -কপোতাক্ষ

যশোর সদর উপজেলার মুনসেফপুরে হুইলচেয়ারে এসে ভোট দিলেন অশীতিপর বৃদ্ধা জরিনা বেগম (৮৫)। জীবনসায়হ্নে এসে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন তিনি। রিজিয়া বেগম আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টার দিকে যশোর-৩ (সদর) আসনের মুনসেফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। হুইলচেয়ারে মেয়ের সঙ্গে ভোট দেওয়ার পর জরিনা বেগম বলেন, ‘বহু বছর আগে ভোট দিছি। এবার ভোট দিয়ে ভালো লাগছে।’

জরিনা বেগমকে ভোট দিতে নিয়ে আসেন তার মেয়ে রিজিয়া বেগম। তিনি বলেন, ‘আমার মা ভোট দিতে আসতে চেয়েছিলেন। তাই তাকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। আমরা প্রার্থীর কাছে তেমন কিছুই চাই না। আমরা যাতে ভালো থাকি, সে রকম ব্যবস্থা করলেই আমরা খুশি।’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন জরিনা বেগম ও রিজিয়া বেগম। এ সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষদের ভোট দিতে দেখা যায়। দীর্ঘ লাইন হলেও ভোটারদের মধ্যে বিরক্তি দেখা যায়নি। সবাই আনন্দের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

বেলা ১১টার পর হুইলচেয়ারে ভোট দিতে আসেন মুক্তার শেখ নামের আরেক ব্যক্তি। ভোট দিয়ে তিনি বলেন, ‘১৭ বছর পরে ভোট দিয়ে খুব আনন্দ লাগছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটের পর নতুন সরকার আমাদের কতটা ভালো রাখতে পারে।’

মুক্তারের ছেলে ইব্রাহিম শেখ বলেন, ‘ভোট দেওয়ার জন্য আব্বা খুব জোরাজুরি করছিলেন। ভোটকেন্দ্রে আসার পরে অনেকেই বলেছে, এত কষ্ট করে ভোট দেওয়ার দরকার নাই। কিন্তু আব্বা কারও কথা শোনেননি। যত কষ্টই হোক, তিনি ভোট দিয়েই বাড়ি যাবেন বলে সবাইকে জানিয়ে দেন।’

মুনসেফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘এই কেন্দ্রের মোট ভোটার ৩ হাজার ৯৬৩। ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হুইলচেয়ারে এসে ভোট দিয়ে অশীতিরপর জরিনা বেগমের সন্তুষ্টি

আপডেট সময় : ০৪:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার মুনসেফপুরে হুইলচেয়ারে এসে ভোট দিলেন অশীতিপর বৃদ্ধা জরিনা বেগম (৮৫)। জীবনসায়হ্নে এসে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন তিনি। রিজিয়া বেগম আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টার দিকে যশোর-৩ (সদর) আসনের মুনসেফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। হুইলচেয়ারে মেয়ের সঙ্গে ভোট দেওয়ার পর জরিনা বেগম বলেন, ‘বহু বছর আগে ভোট দিছি। এবার ভোট দিয়ে ভালো লাগছে।’

জরিনা বেগমকে ভোট দিতে নিয়ে আসেন তার মেয়ে রিজিয়া বেগম। তিনি বলেন, ‘আমার মা ভোট দিতে আসতে চেয়েছিলেন। তাই তাকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। আমরা প্রার্থীর কাছে তেমন কিছুই চাই না। আমরা যাতে ভালো থাকি, সে রকম ব্যবস্থা করলেই আমরা খুশি।’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন জরিনা বেগম ও রিজিয়া বেগম। এ সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষদের ভোট দিতে দেখা যায়। দীর্ঘ লাইন হলেও ভোটারদের মধ্যে বিরক্তি দেখা যায়নি। সবাই আনন্দের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

বেলা ১১টার পর হুইলচেয়ারে ভোট দিতে আসেন মুক্তার শেখ নামের আরেক ব্যক্তি। ভোট দিয়ে তিনি বলেন, ‘১৭ বছর পরে ভোট দিয়ে খুব আনন্দ লাগছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটের পর নতুন সরকার আমাদের কতটা ভালো রাখতে পারে।’

মুক্তারের ছেলে ইব্রাহিম শেখ বলেন, ‘ভোট দেওয়ার জন্য আব্বা খুব জোরাজুরি করছিলেন। ভোটকেন্দ্রে আসার পরে অনেকেই বলেছে, এত কষ্ট করে ভোট দেওয়ার দরকার নাই। কিন্তু আব্বা কারও কথা শোনেননি। যত কষ্টই হোক, তিনি ভোট দিয়েই বাড়ি যাবেন বলে সবাইকে জানিয়ে দেন।’

মুনসেফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘এই কেন্দ্রের মোট ভোটার ৩ হাজার ৯৬৩। ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি।’