ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্ধের নির্দেশ

যশোরে বিরোধপূর্ণ জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের চেষ্টা

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

আদালতের নির্দেশে বিরোধপূর্ণ জমির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আইনজীবী ও পুলিশ-কপোতাক্ষ

যশোর শহরের ফাতেমা হাসপাতালের সামনে আদালতের ১৪৪ ধারার নোটিশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বহুভবন নির্মাণচেষ্টা অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়েরের পর যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া মামলার প্রেক্ষিতে বিচারক একজন আইনজীবীকে ঘটনাস্থল পরির্দশনে পাঠান এবং উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ (রোববার) পুলিশ ও আইনজীবী ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে শহরের পুরাতন কসবা ফাতেমা হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা বদরুল কালামের ছেলে মোস্তফা কামাল দিপু জানান, শহরের পুরাতন কসবা মৌজায় ফাতেমা হাসপাতালের সামনে বিরোধপূর্ণ ১৩ দশমিক ৭৩ শতক জমি রয়েছে। জমিটি তাদের ভোগদখলে থাকলেও মালিকানা নিয়ে তার ফুফু বেগম শামসুন্নাহারের সাথে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিরোধপূর্ণ জমি থেকে ১০ শতক ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করে নেন একই এলাকার বাসিন্দা জিকেএম কামরুজ্জামান। এখন তিনি পুরো জমিতেই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।

মোস্তফা কামাল দিপু অভিযোগ করেন, এর আগে গত বছর ১৭ নভেম্বর ওই জমিতে ভবন নির্মাণের চেষ্টা করেন কামরুজ্জামান। ফলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে একটি শুনানিতে অনিবার্যকারণবশত তিনি অনুপস্থিত থাকায় আদালত ১৪৪ ধারা তুলে নেয়। আদালতের এই আদেশ রিভিউয়ের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করে ৯ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে গত ১৮ জানুয়ারি ওই জমিতে ফের নির্মাণকাজ শুরু করেন কামরুজ্জামান। নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে মোস্তফা কামাল দিপুসহ তার স্বজনদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

পরে ১৯ জানুয়ারি তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় এই লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু এ অভিযোগকে তোয়াক্কা না করে আবার আজ (রোববার) পাইলিং করে ভবণ নির্মাণের চেষ্টা চালান।

অভিযোগের ব্যাপারে জিকেএম কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। এখানে দিপু কে। দিপু তো আর এ জমির মালিক না।’

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. তাহমুদ জানান, জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতে রায় না দেয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতের আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, ‘আদালতে নির্দেশে জায়গাটি পরির্দশন করতে এসেছি। সকল বিষয় নোট করে নিয়েছি। আদালতে সাবমিট করবো।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বন্ধের নির্দেশ

যশোরে বিরোধপূর্ণ জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর শহরের ফাতেমা হাসপাতালের সামনে আদালতের ১৪৪ ধারার নোটিশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বহুভবন নির্মাণচেষ্টা অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়েরের পর যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া মামলার প্রেক্ষিতে বিচারক একজন আইনজীবীকে ঘটনাস্থল পরির্দশনে পাঠান এবং উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ (রোববার) পুলিশ ও আইনজীবী ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে শহরের পুরাতন কসবা ফাতেমা হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা বদরুল কালামের ছেলে মোস্তফা কামাল দিপু জানান, শহরের পুরাতন কসবা মৌজায় ফাতেমা হাসপাতালের সামনে বিরোধপূর্ণ ১৩ দশমিক ৭৩ শতক জমি রয়েছে। জমিটি তাদের ভোগদখলে থাকলেও মালিকানা নিয়ে তার ফুফু বেগম শামসুন্নাহারের সাথে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিরোধপূর্ণ জমি থেকে ১০ শতক ক্রয় করে রেজিস্ট্রি করে নেন একই এলাকার বাসিন্দা জিকেএম কামরুজ্জামান। এখন তিনি পুরো জমিতেই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।

মোস্তফা কামাল দিপু অভিযোগ করেন, এর আগে গত বছর ১৭ নভেম্বর ওই জমিতে ভবন নির্মাণের চেষ্টা করেন কামরুজ্জামান। ফলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে একটি শুনানিতে অনিবার্যকারণবশত তিনি অনুপস্থিত থাকায় আদালত ১৪৪ ধারা তুলে নেয়। আদালতের এই আদেশ রিভিউয়ের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করে ৯ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে গত ১৮ জানুয়ারি ওই জমিতে ফের নির্মাণকাজ শুরু করেন কামরুজ্জামান। নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে মোস্তফা কামাল দিপুসহ তার স্বজনদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

পরে ১৯ জানুয়ারি তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় এই লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু এ অভিযোগকে তোয়াক্কা না করে আবার আজ (রোববার) পাইলিং করে ভবণ নির্মাণের চেষ্টা চালান।

অভিযোগের ব্যাপারে জিকেএম কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। এখানে দিপু কে। দিপু তো আর এ জমির মালিক না।’

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. তাহমুদ জানান, জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতে রায় না দেয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতের আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, ‘আদালতে নির্দেশে জায়গাটি পরির্দশন করতে এসেছি। সকল বিষয় নোট করে নিয়েছি। আদালতে সাবমিট করবো।’