ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরের তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী যশোর-৪ আসনের জহুরুল হক, যশোর-৫ আসনের এম এ হালিম ও যশোর-৬ আসনের জিএম হাসান -কপোতাক্ষ ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছে জাতীয় পার্টি। যশোরে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করলে তারা আপিল করেন। আপিল মঞ্জুর হওয়ায় এই তিন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

এই তিন প্রার্থী হলেন : যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনের প্রার্থী জহুরুল হক, যশোর-৫ মণিরামপুর আসনের প্রার্থী এম এ হালিম ও যশোর-৬ কেশবপুর আসনের প্রার্থী জিএম হাসান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানান।

এর আগে, গত ১ জানুয়ারি যশোর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই বাছাইয়ে যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনে জহুরুল হকের মনোনয়ন ফরম অসম্পূর্ণ থাকায় তা বাতিল করা হয়।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে এম এ হালিমের মনোনয়ন ফরম ত্রুটিপূর্ণ থাকার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জিএম হাসানের ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন ও দলীয় অঙ্গীকারনামায় সাক্ষীর স্বাক্ষর না থাকার তার মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এরপর এই প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। তাদের আপিল মঞ্জুর হওয়ায় তিন প্রার্থীই মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন।

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে যশোর-৪ আসনের প্রার্থী জহুরুল হক জানান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলাম। নির্বাচন কমিশন আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে।

যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে এম এ হালিম জানান, মনোনয়ন ফরমে সামান্য ভুল থাকায় আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের ওপর নির্বাচন কমিশনের বরাবর আপিল করি। সেখান থেকে আমার প্রার্থিতা বৈধ করে নির্বাচন করার অনুমতি প্রদান করেন নির্বাচন কমিশন।

যশোর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আজিজুর রহমান জানান, জাতীয় পার্টি যশোরের ৬টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছিল। ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এই পাঁচ প্রার্থীকে সাথে নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবো ইনশাআল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যশোরের তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছে জাতীয় পার্টি। যশোরে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করলে তারা আপিল করেন। আপিল মঞ্জুর হওয়ায় এই তিন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

এই তিন প্রার্থী হলেন : যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনের প্রার্থী জহুরুল হক, যশোর-৫ মণিরামপুর আসনের প্রার্থী এম এ হালিম ও যশোর-৬ কেশবপুর আসনের প্রার্থী জিএম হাসান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানান।

এর আগে, গত ১ জানুয়ারি যশোর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই বাছাইয়ে যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনে জহুরুল হকের মনোনয়ন ফরম অসম্পূর্ণ থাকায় তা বাতিল করা হয়।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে এম এ হালিমের মনোনয়ন ফরম ত্রুটিপূর্ণ থাকার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জিএম হাসানের ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন ও দলীয় অঙ্গীকারনামায় সাক্ষীর স্বাক্ষর না থাকার তার মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এরপর এই প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। তাদের আপিল মঞ্জুর হওয়ায় তিন প্রার্থীই মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন।

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে যশোর-৪ আসনের প্রার্থী জহুরুল হক জানান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলাম। নির্বাচন কমিশন আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে।

যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে এম এ হালিম জানান, মনোনয়ন ফরমে সামান্য ভুল থাকায় আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের ওপর নির্বাচন কমিশনের বরাবর আপিল করি। সেখান থেকে আমার প্রার্থিতা বৈধ করে নির্বাচন করার অনুমতি প্রদান করেন নির্বাচন কমিশন।

যশোর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আজিজুর রহমান জানান, জাতীয় পার্টি যশোরের ৬টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছিল। ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এই পাঁচ প্রার্থীকে সাথে নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবো ইনশাআল্লাহ।