ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

যশোরে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

কপোতাক্ষ ফাইল ছবি

সারা দেশের মতো যশোর জেলায়ও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এলপিজি গ্যাস সংকট। সেনা কল্যাণ সংস্থার সিলিন্ডার ছাড়া বড় কোনো কোম্পানির এলপিজি গ্যাস বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।

তারা জানান, কয়েকদিন আগে সীমিত পরিসরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস মিললেও গত তিন দিন ধরে অনেক ডিলার পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছেন। বছরের শুরু থেকেই সরকারি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না। টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই সংকটে শহরের বিভিন্ন এলাকা ও দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দিলে গ্যাস মিলছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে যশোরে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা বা তারও বেশি দামে।

সংকটের কারণে শহরের বাসাবাড়িতে গ্যাসের জন্য হাহাকার চলছে। রান্নাবান্না ও গোসলের জন্য পানি গরম করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যশোর শহরে মাটির চুলার ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। এই সুযোগে এক শ্রেণির সিলিন্ডার ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লুটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে যশোরের প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানে রান্না হয় গ্যাসের চুলায়। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবিলম্বে সিলিন্ডার মজুদদার ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যশোরে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

সারা দেশের মতো যশোর জেলায়ও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এলপিজি গ্যাস সংকট। সেনা কল্যাণ সংস্থার সিলিন্ডার ছাড়া বড় কোনো কোম্পানির এলপিজি গ্যাস বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।

তারা জানান, কয়েকদিন আগে সীমিত পরিসরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস মিললেও গত তিন দিন ধরে অনেক ডিলার পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছেন। বছরের শুরু থেকেই সরকারি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না। টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই সংকটে শহরের বিভিন্ন এলাকা ও দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দিলে গ্যাস মিলছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে যশোরে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা বা তারও বেশি দামে।

সংকটের কারণে শহরের বাসাবাড়িতে গ্যাসের জন্য হাহাকার চলছে। রান্নাবান্না ও গোসলের জন্য পানি গরম করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যশোর শহরে মাটির চুলার ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। এই সুযোগে এক শ্রেণির সিলিন্ডার ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লুটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে যশোরের প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানে রান্না হয় গ্যাসের চুলায়। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবিলম্বে সিলিন্ডার মজুদদার ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।