বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যা মামলা
রিমান্ডে দুজন
- আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৯২ বার পড়া হয়েছে
যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় আটক দুইজনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ (বুধবার) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আটক আসামিরা হলেন : যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা শংকরপুর ইসহাক সড়কের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর ছেলে এবং নিহত আলমগীর হোসেনের জামাই বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার মৃত মতিন দারোগার ছেলে আসাবুল ইসলাম সাগর।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামি বাসেদ আলী পরশ নিহত আলমগীর হোসেনের জামাই। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। পরশের স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। একপর্যায়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরে সামাজিকভাবে সেই বিরোধ মীমাংসা করা হয়। এছাড়া নিহত আলমগীর হোসেনের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধও ছিল পরশের। প্রায় একমাস আগে পরশের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকেই পরশ বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, আসামি আসাবুল ইসলাম সাগর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। জাহাঙ্গীর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ওই হামলার সময় নিহত আলমগীর হোসেন বাধা দিলে সাগর তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাগর বিভিন্নভাবে আলমগীর হোসেনকে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। এমনকি ফেসবুক মেসেঞ্জারে হুমকিমূলক বার্তাও পাঠানো হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাগর ও পরশের যোগসাজশে ভাড়াটে খুনি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আটক দুই আসামির রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।



















