ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বাতাসের কারণে ঘটে

শৈত্যপ্রবাহের রকমভেদ

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

শৈত্যপ্রবাহ জুবুথুবু বৃদ্ধ ও শিশু, যশোর শহরের পুরাতন কসবা ঘোষপাড়ার ছবি -কপোতাক্ষ

শৈত্যপ্রবাহ এমন এক আবহাওয়া পরিস্থিতি, যেখানে কোনো স্থানের বাতাসের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। সাধারণত নেমে আসে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থা অন্তত তিন দিন স্থায়ী হয়, যা হিমালয় থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে ঘটে এবং এটি মৃদু, মাঝারি, তীব্র ও অতি তীব্র, এমন চার ভাগে বিভক্ত।

আবহাওয়াবিদরা জানান, যখন কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত কমে যায় এবং ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, তখন তাকে শৈত্যপ্রবাহ বলে। এক্ষেত্রে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার পাশাপাশি এই অবস্থাটি কমপক্ষে ৩ দিন স্থায়ী হতে হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

মূলত হিমালয় পর্বতমালা থেকে আসা ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে শৈত্যপ্রবাহের সৃষ্টি হয়।

শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে শীতজনিত রোগ সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি বাড়ে। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

শৈত্যপ্রবাহে কুয়াশার প্রকোপ বাড়ে এবং ফসলের ক্ষতি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাতাসের কারণে ঘটে

শৈত্যপ্রবাহের রকমভেদ

আপডেট সময় : ০১:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

শৈত্যপ্রবাহ এমন এক আবহাওয়া পরিস্থিতি, যেখানে কোনো স্থানের বাতাসের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। সাধারণত নেমে আসে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থা অন্তত তিন দিন স্থায়ী হয়, যা হিমালয় থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে ঘটে এবং এটি মৃদু, মাঝারি, তীব্র ও অতি তীব্র, এমন চার ভাগে বিভক্ত।

আবহাওয়াবিদরা জানান, যখন কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত কমে যায় এবং ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, তখন তাকে শৈত্যপ্রবাহ বলে। এক্ষেত্রে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার পাশাপাশি এই অবস্থাটি কমপক্ষে ৩ দিন স্থায়ী হতে হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

মূলত হিমালয় পর্বতমালা থেকে আসা ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে শৈত্যপ্রবাহের সৃষ্টি হয়।

শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে শীতজনিত রোগ সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি বাড়ে। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

শৈত্যপ্রবাহে কুয়াশার প্রকোপ বাড়ে এবং ফসলের ক্ষতি হতে পারে।