ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ক্ষোভ শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের

শিক্ষকদের আন্দোলনে জিলা স্কুলে পরীক্ষা বন্ধ

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

বার্ষিক পরীক্ষা দিতে না পারা ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা -কপোতাক্ষ

সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের নো-ওয়ার্ক কর্মসূচির কারণে আজ (মঙ্গলবার) যশোর জিলা স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। টানা দুইদিনের এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রস্তুতি নিয়েও হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায় তারা মানসিক চাপে পড়েছে। অনেক পরিবার পরীক্ষা শেষে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে আগে থেকেই বাস-ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন, যা এখন ক্ষতির মুখে।

অভিভাবকদের অভিযোগ শিক্ষকদের দাবি থাকলেও শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসকদের মতো জরুরি সেবা চালু রেখে আন্দোলন করার উদাহরণ তুলে তারা বলেন, পরীক্ষাও চালু রেখে আন্দোলন করা যেত।

যশোর জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও শিক্ষক সংকটের কারণে কক্ষ পর্যবেক্ষক পাওয়া যায়নি।

তবে একই আন্দোলনের মধ্যেও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে অল্পসংখ্যক শিক্ষক কর্মচারীকে নিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ক্ষোভ শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের

শিক্ষকদের আন্দোলনে জিলা স্কুলে পরীক্ষা বন্ধ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের নো-ওয়ার্ক কর্মসূচির কারণে আজ (মঙ্গলবার) যশোর জিলা স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। টানা দুইদিনের এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রস্তুতি নিয়েও হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায় তারা মানসিক চাপে পড়েছে। অনেক পরিবার পরীক্ষা শেষে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে আগে থেকেই বাস-ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন, যা এখন ক্ষতির মুখে।

অভিভাবকদের অভিযোগ শিক্ষকদের দাবি থাকলেও শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসকদের মতো জরুরি সেবা চালু রেখে আন্দোলন করার উদাহরণ তুলে তারা বলেন, পরীক্ষাও চালু রেখে আন্দোলন করা যেত।

যশোর জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও শিক্ষক সংকটের কারণে কক্ষ পর্যবেক্ষক পাওয়া যায়নি।

তবে একই আন্দোলনের মধ্যেও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে অল্পসংখ্যক শিক্ষক কর্মচারীকে নিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।