আহত শিক্ষার্থীদের পাশে যবিপ্রবি উপাচার্য
- আপডেট সময় : ০২:২০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ২০০ বার পড়া হয়েছে
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসিক হল দুটিতে অবস্থানরত আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিয়েছেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
তিনি সকল আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা, আহতদের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।
যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মজিদ অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ (বুধবার) প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে এক জরুরি সভা আহ্বান করেন।
সভায় স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার সঠিক ও দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।
বিকেলে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে ছাত্রদের আবাসিক হল দুটি পরিদর্শন করেন।
আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আমরা বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মিলে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।
তিনি দ্রুততার সাথে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হল প্রভোস্টবৃন্দের নির্দেশ দেন। আহত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যেন ক্ষতির সম্মুখিন না হয়, সে বিষয়ে প্রতিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।
যবিপ্রবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেন। তিনি কমিটির সদস্যবৃন্দের দ্রুত সময়ের মধ্যে যবিপ্রবির আশেপাশের মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন এবং একইসাথে স্থানীয় মেস মালিক ও বাজার প্রতিনিধিদের সাথে কমিটির সদস্যবৃন্দের বসে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
যবিপ্রবি উপাচার্যের সভাপতিত্বে সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, প্রভোস্ট ও প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে প্রক্টোরিয়াল বডি, যশোর কোতয়ালি থানায় সার্বিক বিষয়ে অভিযোগ করে মামলা করেছেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
বর্তমানে ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



















