ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে অমিত

চূড়ান্ত গন্তব্যে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয় -কপোতাক্ষ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খুলনা বিভাগ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিগত ১৬ বছর আগে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, তার একটা ধাপ অতিক্রম করেছি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। কিন্তু চূড়ান্ত গন্তব্যে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি। চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে গেলে সকল গণতন্ত্রকামী জনতা ও সংগঠনসমূহকে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করে জনগণের সাথে বিএনপির নিবিড় যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যমে নতুন করে বাংলাদেশ গড়তে হবে। যে বাংলাদেশের মানুষ তার ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ (শুক্রবার) যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত র‌্যালি পূর্ব আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তারেক রহমান ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একত্রিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। ঠিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তার প্রয়াত পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও এমন সংকট মুহূর্তে সমগ্র জাতিকে সংহতি প্রকাশের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই সংহতির মাধ্যমে সেদিন তিনি মুক্তি লাভ করেছিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী ও সাধারণ জনতার সংহতির মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তি লাভ করে ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখনও দেশের রাজনীতিতে যে সংকট বিরাজ করছে, এ থেকে উত্তরণের জন্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনকে এক হতে হবে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ।

আলোচনাসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম।

পরে অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

র‌্যালিটি দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে চৌরাস্তা মোড়, আর এন রোড হয়ে মনিহার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল বারী রবু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. মো. ইসহক, আব্দুস সালাম আজাদ, মারুফুল ইসলাম, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, কাজী আজম, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রাশিদা রহমান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে অমিত

চূড়ান্ত গন্তব্যে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি

আপডেট সময় : ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খুলনা বিভাগ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিগত ১৬ বছর আগে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, তার একটা ধাপ অতিক্রম করেছি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। কিন্তু চূড়ান্ত গন্তব্যে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি। চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে গেলে সকল গণতন্ত্রকামী জনতা ও সংগঠনসমূহকে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করে জনগণের সাথে বিএনপির নিবিড় যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যমে নতুন করে বাংলাদেশ গড়তে হবে। যে বাংলাদেশের মানুষ তার ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ (শুক্রবার) যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত র‌্যালি পূর্ব আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তারেক রহমান ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একত্রিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। ঠিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তার প্রয়াত পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও এমন সংকট মুহূর্তে সমগ্র জাতিকে সংহতি প্রকাশের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই সংহতির মাধ্যমে সেদিন তিনি মুক্তি লাভ করেছিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী ও সাধারণ জনতার সংহতির মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তি লাভ করে ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখনও দেশের রাজনীতিতে যে সংকট বিরাজ করছে, এ থেকে উত্তরণের জন্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনকে এক হতে হবে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ।

আলোচনাসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম।

পরে অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

র‌্যালিটি দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে চৌরাস্তা মোড়, আর এন রোড হয়ে মনিহার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল বারী রবু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. মো. ইসহক, আব্দুস সালাম আজাদ, মারুফুল ইসলাম, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, কাজী আজম, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রাশিদা রহমান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।