ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিজিবি বলেছে বিভ্রান্ত না হতে

আমড়াখালী চেকপোস্টে পরিবহনের ড্রাইভারকে বিজিবি সদস্যের মারধরের অভিযোগ

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে পুলিশের আলোচনা, ডানে পরিবহন ড্রাইভার অপু -কপোতাক্ষ

যশোর-বেনাপোল কের শার্শা উপজেলার আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টে সোহাগ পরিবহনের এক বাস ড্রাইভারকে বিজিবি সদস্য কর্তৃক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা আজ (রোববার) বেলা পৌনে বারোটার দিকে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাস আমড়াখালী চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবির তল্লাশির সময় দায়িত্বরত এক সদস্য বাসের ড্রাইভার মো. অপুকে গাড়ি কিছুক্ষণ পাশে দাঁড় করিয়ে রাখতে বলেন। ড্রাইভার অপু অপেক্ষায় বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনি আমাকে যেতে দিন, না হলে সড়কে গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়ে যাচ্ছে। আপনি আপনার কাজটা করেন, আমাকে আমার কাজটা করতে দিন।’

এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে বিজিবি সদস্য ড্রাইভারের জামার কলার ধরে টেনে গাড়ি থেকে নিচে নামিয়ে আনেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ ড্রাইভার অপু রাস্তার মাঝে বাস দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্যান্য পরিবহন শ্রমিকরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। ফলে মহাসড়কের দুইপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্থানীয় শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

আলোচনা শেষে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রোকনুজ্জামান বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। যানবাহন চলাচল শুরু করেছে।

এদিকে, ৪৯ বিজিবি পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যশোরের শার্শা উপজেলার আমড়াখালী চেকপোস্টে বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের চালক বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে থামিয়ে যানজটের সৃষ্টি করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যরা একপাশে নিতে বললে চালক উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। পরবর্তীতে সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান রোধে তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ৪৯ বিজিবি।

বিজিবি পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পরিচালক নুর উদ্দিন আহমেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়ে বলেছেন, সবাইকে বিভ্রান্ত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিজিবি বলেছে বিভ্রান্ত না হতে

আমড়াখালী চেকপোস্টে পরিবহনের ড্রাইভারকে বিজিবি সদস্যের মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:০০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

যশোর-বেনাপোল কের শার্শা উপজেলার আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টে সোহাগ পরিবহনের এক বাস ড্রাইভারকে বিজিবি সদস্য কর্তৃক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা আজ (রোববার) বেলা পৌনে বারোটার দিকে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাস আমড়াখালী চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবির তল্লাশির সময় দায়িত্বরত এক সদস্য বাসের ড্রাইভার মো. অপুকে গাড়ি কিছুক্ষণ পাশে দাঁড় করিয়ে রাখতে বলেন। ড্রাইভার অপু অপেক্ষায় বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনি আমাকে যেতে দিন, না হলে সড়কে গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়ে যাচ্ছে। আপনি আপনার কাজটা করেন, আমাকে আমার কাজটা করতে দিন।’

এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে বিজিবি সদস্য ড্রাইভারের জামার কলার ধরে টেনে গাড়ি থেকে নিচে নামিয়ে আনেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ ড্রাইভার অপু রাস্তার মাঝে বাস দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্যান্য পরিবহন শ্রমিকরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। ফলে মহাসড়কের দুইপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্থানীয় শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

আলোচনা শেষে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রোকনুজ্জামান বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। যানবাহন চলাচল শুরু করেছে।

এদিকে, ৪৯ বিজিবি পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যশোরের শার্শা উপজেলার আমড়াখালী চেকপোস্টে বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের চালক বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে থামিয়ে যানজটের সৃষ্টি করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যরা একপাশে নিতে বললে চালক উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। পরবর্তীতে সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান রোধে তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ৪৯ বিজিবি।

বিজিবি পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পরিচালক নুর উদ্দিন আহমেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়ে বলেছেন, সবাইকে বিভ্রান্ত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে।