ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

যশোর বিমান বন্দরে অকেজো মালামাল বিক্রির নিলাম

চতুর্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদানের অভিযোগে দুদকের অভিযান, মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩১২ বার পড়া হয়েছে

যশোর বিমান বন্দর -কপোতাক্ষ ফাইল ছবি

যশোর বিমান বন্দরের রানওয়ে নির্মাণে অকেজো মালামাল বিক্রির নিলামে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে বলেও দুদক সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতাকে বাদ দিয়ে ৪র্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

যশোর বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোর বিমানবন্দরের রানওয়ে নির্মাণের সময় অ্যাপ্রোস সড়ক থেকে উত্তোলিত অকেজো মালামাল (ইট, পাথর ইত্যাদি) বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়। গত ৩ সেপ্টেম্বর এই নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দর দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে ৪র্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। এই দরদাতার দর ছিল ১০ লাখ টাকা।

এই অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের তিন সদস্যের একটি দল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী। অভিযানকালে ওই কার্যালয়ে ব্যবস্থাপকের দেখা পাননি দুদক কর্মকর্তারা। তিনি ঢাকায় রয়েছেন বলে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক (সহকারী পরিচালক) দুদক কর্মকর্তাদের জানান। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্রও সরবরাহ করা হয়নি। তবে পরবর্তীতে ওই দরপত্রের কাগজপত্র সরবরাহ করেছে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়।

দুদক সূত্র জানায়, দুদকের আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলামে ওঠা মালামাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজনকে মালামাল নিয়ে যেতে দেখেছেন। যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে দুদকের আভিযানিক দলকে জানানো হয়েছে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ত্রুটি ছিল। এ কারণে যথাযথ কাগজপত্র থাকায় চতুর্থ দরদাতার কাছে মালামাল বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের মনে হয়েছে মালামাল নিলামে বিক্রিতে অনিয়ম হয়েছে। এখন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যশোর বিমান বন্দরে অকেজো মালামাল বিক্রির নিলাম

চতুর্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদানের অভিযোগে দুদকের অভিযান, মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর বিমান বন্দরের রানওয়ে নির্মাণে অকেজো মালামাল বিক্রির নিলামে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে বলেও দুদক সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতাকে বাদ দিয়ে ৪র্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

যশোর বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোর বিমানবন্দরের রানওয়ে নির্মাণের সময় অ্যাপ্রোস সড়ক থেকে উত্তোলিত অকেজো মালামাল (ইট, পাথর ইত্যাদি) বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়। গত ৩ সেপ্টেম্বর এই নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দর দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে ৪র্থ দরদাতাকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। এই দরদাতার দর ছিল ১০ লাখ টাকা।

এই অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের তিন সদস্যের একটি দল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী। অভিযানকালে ওই কার্যালয়ে ব্যবস্থাপকের দেখা পাননি দুদক কর্মকর্তারা। তিনি ঢাকায় রয়েছেন বলে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক (সহকারী পরিচালক) দুদক কর্মকর্তাদের জানান। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্রও সরবরাহ করা হয়নি। তবে পরবর্তীতে ওই দরপত্রের কাগজপত্র সরবরাহ করেছে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়।

দুদক সূত্র জানায়, দুদকের আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলামে ওঠা মালামাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজনকে মালামাল নিয়ে যেতে দেখেছেন। যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে দুদকের আভিযানিক দলকে জানানো হয়েছে, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ত্রুটি ছিল। এ কারণে যথাযথ কাগজপত্র থাকায় চতুর্থ দরদাতার কাছে মালামাল বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের মনে হয়েছে মালামাল নিলামে বিক্রিতে অনিয়ম হয়েছে। এখন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।