ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আসন অপরিবর্তিত রাখার দাবিতে যশোরে নির্বাচন অফিস ঘেরাও

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে নির্বাচন কার্যালয় ঘেরাও করে বিএনপি -কপোতাক্ষ

যশোরের দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে নির্বাচন কার্যালয় ঘেরাও করেছে বিএনপি।

আজ (রোববার) দুপুরে যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসনটির বিপুলসংখ্যক সাধারণ ভোটার ও বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পরিবহনে শহরে আসেন। সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করে।

এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে প্রদান করা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ।

ঘেরাও চলাকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি যখন একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় মুখিয়ে আছে তখন একটি চক্র নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে।

এই চক্র দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সুকৃতি কুমার মন্ডল নামে একব্যক্তি চক্রের দোসর হিসেবে যশোরের আসন পুনর্বিন্যাসের নামে ষড়যন্ত্রমূলক একটি আবেদন করেছেন। অবাক করার বিষয় হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের ঘোষণা দিয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এই চক্রান্ত বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে যশোরের মানুষের নির্বাচনী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পরিবেশ ও সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার যেকোনো প্রক্রিয়া তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা হবে।

কর্মসূচি চলাকালে নেতৃবৃন্দ যশোরের ছয়টি আসনের বর্তমান সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন সরকার ঘোষিত ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, যশোর-৬ আসনের সীমানা পুর্নগঠনের জন্য গত ৬ আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল। প্রস্তাবিত ৯০ নং নির্বাচনী এলাকা যশোর-৬ আসনে অভয়নগর উপজেলা, মণিরামপুরের ৬টি ইউনিয়ন- ঢাকুরিয়া, হরিদাসকাটি, কুলটিয়া, দুর্বাডাঙ্গা, নেহালপুর ও মনোহরপুর এবং কেশবপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- সুফলাকাটি, পাঁজিয়া ও গৌরিঘোনা অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত যশোর-৬ আসন বাস্তবায়ন করতে হলে কেশবপুর উপজেলাকে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। আর যশোর-৪ আসনে বাঘারপাড়ার সঙ্গে সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন সংযুক্ত করে সংসদীয় আসন করতে হবে। এতে যশোর-৩ (সদর) আসনের ৫টি ইউনিয়ন কেটে যাবে। এমন পরিবর্তনের আভাসকে মেনে নিতে না পেরে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচির পালন করছে জেলা বিএনপি, জামায়াত ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আসন অপরিবর্তিত রাখার দাবিতে যশোরে নির্বাচন অফিস ঘেরাও

আপডেট সময় : ০১:২৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

যশোরের দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে নির্বাচন কার্যালয় ঘেরাও করেছে বিএনপি।

আজ (রোববার) দুপুরে যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসনটির বিপুলসংখ্যক সাধারণ ভোটার ও বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পরিবহনে শহরে আসেন। সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করে।

এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে প্রদান করা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ।

ঘেরাও চলাকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি যখন একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় মুখিয়ে আছে তখন একটি চক্র নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে।

এই চক্র দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সুকৃতি কুমার মন্ডল নামে একব্যক্তি চক্রের দোসর হিসেবে যশোরের আসন পুনর্বিন্যাসের নামে ষড়যন্ত্রমূলক একটি আবেদন করেছেন। অবাক করার বিষয় হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের ঘোষণা দিয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এই চক্রান্ত বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে যশোরের মানুষের নির্বাচনী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পরিবেশ ও সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার যেকোনো প্রক্রিয়া তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা হবে।

কর্মসূচি চলাকালে নেতৃবৃন্দ যশোরের ছয়টি আসনের বর্তমান সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন সরকার ঘোষিত ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, যশোর-৬ আসনের সীমানা পুর্নগঠনের জন্য গত ৬ আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল। প্রস্তাবিত ৯০ নং নির্বাচনী এলাকা যশোর-৬ আসনে অভয়নগর উপজেলা, মণিরামপুরের ৬টি ইউনিয়ন- ঢাকুরিয়া, হরিদাসকাটি, কুলটিয়া, দুর্বাডাঙ্গা, নেহালপুর ও মনোহরপুর এবং কেশবপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- সুফলাকাটি, পাঁজিয়া ও গৌরিঘোনা অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত যশোর-৬ আসন বাস্তবায়ন করতে হলে কেশবপুর উপজেলাকে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। আর যশোর-৪ আসনে বাঘারপাড়ার সঙ্গে সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন সংযুক্ত করে সংসদীয় আসন করতে হবে। এতে যশোর-৩ (সদর) আসনের ৫টি ইউনিয়ন কেটে যাবে। এমন পরিবর্তনের আভাসকে মেনে নিতে না পেরে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচির পালন করছে জেলা বিএনপি, জামায়াত ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো।