যশোর-৩ ও যশোর-৬
সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
- আপডেট সময় : ০৩:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে যুবদল -কপোতাক্ষ
যশোরের দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে যুবদলের নেতাকর্মীরা। আসন দুটি হলো যশোর-৩ ও যশোর-৬।
আজ (শনিবার) বিকেলে জেলা যুবদলের আয়োজন শহরের লালদীঘিস্থ দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানার নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আরএন রোড এলাকায় শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আসন পুনর্বিন্যাসের নামে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তারা যশোরের চিরায়ত নির্বাচনী সংস্কৃতি, পরিবেশ ও সম্প্রীতিকে বিনষ্টের চক্রান্ত করছে। এটা কোনোভাবেই যশোরবাসী মেনে নিতে পারে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাবের আবেদনকারী বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট। যশোরের সংস্কৃতি, পরিবেশ ও সম্প্রীতি নষ্ট করার পায়তারা তিনি করছেন। নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে তা একতরফা। জেলার মানুষের মতামত উপেক্ষা করে সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাব যশোরবাসী মেনে নিবে না। এই পরিকল্পনা থেকে অবশ্যই দ্রুততার সাথে তাদের বেরিয়ে আসতে হবে। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেবে যশোরবাসী।
প্রসঙ্গত, যশোর-৬ আসনের সীমানা পুর্নগঠনের জন্য গত ৬ আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল। প্রস্তাবিত ৯০ নং নির্বাচনী এলাকা যশোর-৬ আসনে অভয়নগর উপজেলা, মণিরামপুরের ৬টি ইউনিয়ন- ঢাকুরিয়া, হরিদাসকাটি, কুলটিয়া, দুর্বাডাঙ্গা, নেহালপুর ও মনোহরপুর এবং কেশবপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- সুফলাকাটি, পাঁজিয়া ও গৌরিঘোনা অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত যশোর-৬ আসন বাস্তবায়ন করতে হলে কেশবপুর উপজেলাকে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। আর যশোর-৪ আসনে বাঘারপাড়ার সঙ্গে সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন সংযুক্ত করে সংসদীয় আসন করতে হবে। এতে যশোর-৩ (সদর) আসনের ৫টি ইউনিয়ন কেটে যাবে। এমন পরিবর্তনের আভাসকে মেনে নিতে পারছে না এলাকাবাসী। প্রতিবাদে কর্মসূচির পালন করেছে জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো।









