ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আবারও বেনাপোল স্থলবন্দরে জলাবদ্ধতা

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

বৃষ্টির কারণে কাজ অলস সময় পার করছে বন্দর শ্রমিকরা -কপোতাক্ষ

অবিরাম বৃষ্টিতে আবারও বেনাপোল স্থলবন্দরের সেডের কানায় কানায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য।

স্থলবন্দরের ১৬ নম্বর ও ১৭ নম্বর সেডসহ বিভিন্ন স্থানে কানায় কানায় পানি উঠে গেছে। খোলা আকাশের নিচে কোটি টাকার পণ্য পানিতে ভাসছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী জানান, একটু বৃষ্টি হলেই বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ শ্রমিকরা কাজ করতে পারছে না। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশনের দাবি জানাচ্ছি ।

সাধারণ শ্রমিকরা বলেন, আমরা জীবন জীবিকার জন্য এই বন্দরে কাজের জন্য আসি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাজ করতে পারছি না। এখন আমরা সবাই অলস সময় পার করছি। একদিন বৃষ্টি হলে তিন দিন জলবদ্ধতা থাকে।

বেনাপোল স্থলবন্দর উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মামুন কবীর তরফদার জানান, স্থায়ীভাবে সমাধান করতে হলে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে। তাই যার যার প্রতিষ্ঠান থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন রেলওয়ে তাদের নিজস্ব তদরকিতে পানি নিষ্কাশন করবে। কাস্টমসও তাদের মতো পানি নিষ্কাশন করবে।

এদিকে, গত ৯ জুলাই বেনাপোল পৌরসভা, কাস্টম হাউস ও বন্দর এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ছয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে কাস্টম হাউস, স্থলবন্দর, রেলওয়ে, স্থানীয় গণ্যমান্য একজন ব্যক্তি ও নির্বাহী প্রকৌশলী সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবারও বেনাপোল স্থলবন্দরে জলাবদ্ধতা

আপডেট সময় : ০২:২৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

অবিরাম বৃষ্টিতে আবারও বেনাপোল স্থলবন্দরের সেডের কানায় কানায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য।

স্থলবন্দরের ১৬ নম্বর ও ১৭ নম্বর সেডসহ বিভিন্ন স্থানে কানায় কানায় পানি উঠে গেছে। খোলা আকাশের নিচে কোটি টাকার পণ্য পানিতে ভাসছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী জানান, একটু বৃষ্টি হলেই বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ শ্রমিকরা কাজ করতে পারছে না। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশনের দাবি জানাচ্ছি ।

সাধারণ শ্রমিকরা বলেন, আমরা জীবন জীবিকার জন্য এই বন্দরে কাজের জন্য আসি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাজ করতে পারছি না। এখন আমরা সবাই অলস সময় পার করছি। একদিন বৃষ্টি হলে তিন দিন জলবদ্ধতা থাকে।

বেনাপোল স্থলবন্দর উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মামুন কবীর তরফদার জানান, স্থায়ীভাবে সমাধান করতে হলে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে। তাই যার যার প্রতিষ্ঠান থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন রেলওয়ে তাদের নিজস্ব তদরকিতে পানি নিষ্কাশন করবে। কাস্টমসও তাদের মতো পানি নিষ্কাশন করবে।

এদিকে, গত ৯ জুলাই বেনাপোল পৌরসভা, কাস্টম হাউস ও বন্দর এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ছয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে কাস্টম হাউস, স্থলবন্দর, রেলওয়ে, স্থানীয় গণ্যমান্য একজন ব্যক্তি ও নির্বাহী প্রকৌশলী সদস্য হিসেবে রয়েছেন।