ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তবুও দ্বিতীয় যশোর বোর্ড

কমেছে পাসের হার ও জিএপি-৫ প্রাপ্তি

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড -কপোতাক্ষ ফাইল ছবি

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে পাশের হার কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে পাঁচ হাজারের বেশি। তবুও সারাদেশের বোর্ডেগুলোর মধ্যে পাসের হারে যশোর বোর্ডের অবস্থান দ্বিতীয়। এবছর যশোর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩.৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪শ’ ১০ শিক্ষার্থী।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর দুইটায় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ আসমা বেগম।

তিনি জানান, এবার যশোর বোর্ডের অধীন খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে এক লাখ ৩৮ হাজার ৮শ’ ৫১ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করেছে এক লাখ দুই হাজার ৩শ’ ১৯ শিক্ষার্থী। গত বছর যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০ হাজার ৭৬১ শিক্ষার্থী। এবার এ বোর্ডে পাশের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটোই কমেছে।

এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেননি। আর সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে। এজন্য পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এবছর ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ফেল করেছে বেশি। যার প্রভাবে সামগ্রিক পাশের হারও কম। এবার ইংরেজিতে ৮৩.৭৭ এবং গণিতে ৮৫.০২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। তবে বাংলায় ৯৭.৯২, ভূগোলে ৯৪.৬৯, ইসলাম ধর্মে ৯৭.৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি পাশের হার রাজশাহী বোর্ডে ৭৭.৬৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর বোর্ডে ৭৩.৬৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৫৬.৩৮ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭২.০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৮.৫৭ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৭.৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৬৭.০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৩.৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮.২২ শতাংশ।

যশোর বোর্ডের ফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক তৌহিদুর রহমান, বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. কামরুজ্জামান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তবুও দ্বিতীয় যশোর বোর্ড

কমেছে পাসের হার ও জিএপি-৫ প্রাপ্তি

আপডেট সময় : ১১:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে পাশের হার কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে পাঁচ হাজারের বেশি। তবুও সারাদেশের বোর্ডেগুলোর মধ্যে পাসের হারে যশোর বোর্ডের অবস্থান দ্বিতীয়। এবছর যশোর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩.৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪শ’ ১০ শিক্ষার্থী।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর দুইটায় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ আসমা বেগম।

তিনি জানান, এবার যশোর বোর্ডের অধীন খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে এক লাখ ৩৮ হাজার ৮শ’ ৫১ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করেছে এক লাখ দুই হাজার ৩শ’ ১৯ শিক্ষার্থী। গত বছর যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০ হাজার ৭৬১ শিক্ষার্থী। এবার এ বোর্ডে পাশের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটোই কমেছে।

এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেননি। আর সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে। এজন্য পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এবছর ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ফেল করেছে বেশি। যার প্রভাবে সামগ্রিক পাশের হারও কম। এবার ইংরেজিতে ৮৩.৭৭ এবং গণিতে ৮৫.০২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। তবে বাংলায় ৯৭.৯২, ভূগোলে ৯৪.৬৯, ইসলাম ধর্মে ৯৭.৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি পাশের হার রাজশাহী বোর্ডে ৭৭.৬৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর বোর্ডে ৭৩.৬৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৫৬.৩৮ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭২.০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৮.৫৭ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৭.৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৬৭.০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৩.৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮.২২ শতাংশ।

যশোর বোর্ডের ফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক তৌহিদুর রহমান, বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. কামরুজ্জামান প্রমুখ।