গিনেস রেকর্ডধারী ফয়সালের এভারেস্টে পতাকা উড়ানোর স্বপ্ন
- আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫ ৪৭৫ বার পড়া হয়েছে
১২ বার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করা মাহমুদুল হাসান ফয়সাল এবার উচ্চশিখরে নতুন অধ্যায় রচনা করতে চান।
বর্তমানে চীনের চেংডু সিচুয়ানে পড়াশোনা করা এই গিনেস রেকর্ডধারী ফুটবলপ্রেমী তার ফুটবল কলাকৌশল প্রদর্শন করে এভারেস্টের চূড়ায় দেশের পতাকা উড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন।
ফয়সাল মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সোহেল রানা ও গৃহিণী মনজুয়ারার একমাত্র ছেলে।
চীনের চেংডু সিচুয়ান সাউথওয়েস্ট পেট্রোলিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারে অধ্যয়নরত এই ২২ বছর বয়সী তরুণ ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অনুরাগী। পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবল নিয়ে তিনি নানারকম কলাকৌশল আয়ত্ব করেছেন।
ফুটবলের ভারসাম্য রক্ষা করে, পা থেকে মাথা ও দুই হাতে ফুটবল ঘুরিয়ে ফয়সাল ১২ বার গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। ২০১৮ সালে এক মিনিটে দুই বাহুর বন্ধনে ১৩৪ বার ফুটবল ঘুরিয়ে প্রথমবার গিনেস বুকে নাম লেখান তিনি। পরবর্তীতে পরপর দুইবার প্রতি ৩০ সেকেন্ডে দুই বাহুর বন্ধনে ৬২ বার ফুটবল ঘুরিয়ে দুটি নতুন রেকর্ড করেন। এর আগেও প্রতি ৩০ সেকেন্ডে যথাক্রমে ৬৮ ও ৬৬ বার ফুটবল ঘোরানোর মাধ্যমে দুটি রেকর্ড গড়েছেন।
২০১৯ সালে বাস্কেটবল দিয়ে এক মিনিটে ৩৪ বার ঘাড় দিয়ে উপরে ছুঁড়ে আবার তা গ্রহণ করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন ফয়সাল। একই বছরের শুরুতে দুই হাতের মধ্যে ১৪৪ বার বাস্কেটবল ঘুরিয়ে আরও একটি বিশ্বরেকর্ড তার সংগ্রহে যোগ হয়। ২০২০ সালে প্রতি এক মিনিটে ফুটবল টানা ৬৬ বার ঘাড় দিয়ে উপরে ছুঁড়ে আবার তা গ্রহণ করার মাধ্যমে গিনেস কর্তৃপক্ষ রেকর্ডের স্বীকৃতি দেয়।
মাগুরায় বাবা-মায়ের সঙ্গে ছুটি কাটাতে এসে ফয়সাল বলেন, ‘ফুটবল জাগলিং করতে করতে এভারেস্টের চূড়ায় উঠে দেশের পতাকা উড়িয়ে নতুন রেকর্ড করার ইচ্ছা রয়েছে। এটি সহজ কাজ নয়, আমি জানি। তবে চেষ্টা অব্যাহত রাখব। পাশাপাশি চীনের গ্রেট ওয়ালে ফুটবল কলাকৌশল প্রদর্শন করে নতুন রেকর্ড গড়ার প্রস্তুতিও চলছে।’
তিনি আরও জানান, ‘ভবিষ্যতে আমি নতুন নতুন রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্রি স্টাইলার ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের নাম বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করতে চাই।’
গিনেস রেকর্ডধারী তরুণের অসাধারণ এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়া জগতে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।



















