ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণে জায়গা পরিবর্তন দাবি

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

চৌগাছা কাঁচাবাজার মাঠে ১১০ ব্যবসায়ী ব্যবসা পরিচালনা করেন -কপোতাক্ষ

জায়গা পরিবর্তন করে যশোরের চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, চৌগাছা কাঁচামাল হাটের মাঝখানে মসজিদ নির্মাণ করা হলে ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এজন্য মডেল মসজিদটি হাটের মাঝখানে নির্মাণ না করে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে উপজেলা ও পৌরসভা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছে ইজারাদার ও কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা।

চৌগাছা কাঁচামাল হাটের ৫৮ ব্যবসায়ী স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন, মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য এপ্রিল মাসে চৌগাছা পাইকারি কাঁচাবাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে জায়গা মাপা হয়েছে। এখানে আমরা ১১০ জন ব্যবসায়ী এবং সহযোগী ব্যবসায়ী হিসাবে ১৫০ জন ব্যবসা করি। এখানে প্রত্যেকটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৫ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছে। এ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ হলে প্রায় ২০০ পরিবার আর্থিকভাবে চরম দুর্দশায় পতিত হবে এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে পথে বসতে হবে। মসজিদটি হাটের মাঝখানে নির্মাণ না করে স্থানান্তরের দাবি আমাদের।

ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু বলেন, ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকায় আমি হাটের ইজারাদার হিসাবে নিযুক্ত হয়েছি। প্রায় ৩ মাস হাটের ইজারা আদায় করছি। চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণে উপজেলা প্রশাসন কাঁচাবাজার মাঠে দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে স্থান প্রস্তাব করেছেন। কিন্তু সেখানে প্রায় ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ আছে। এখানে মসজিদ নির্মাণ করা হলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হবে আমাদের।

তিনি আরও বলেন, একটি মহল হাটের মাঝামাঝি জায়গায় মসজিদটি স্থাপনের জন্য ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস করে ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। এতে করে সর্ববৃহৎ কাঁচাবাজার ধ্বংসের পায়তারা চলছে। যদি এখানে মসজিদ নির্মাণ করতে হয়, তাহলে ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এ বিষয়ে চৌগাছা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান বলেন, ২৯ জুন চৌগাছা মডেল মসজিদের অনুমোদন হয়েছে। ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সবাই বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, আমরা সরেজমিনে দেখেছি। মসজিদ নির্মাণের জন্য কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাজারে নতুন মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের দোকান দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণে জায়গা পরিবর্তন দাবি

আপডেট সময় : ০৪:০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

জায়গা পরিবর্তন করে যশোরের চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, চৌগাছা কাঁচামাল হাটের মাঝখানে মসজিদ নির্মাণ করা হলে ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এজন্য মডেল মসজিদটি হাটের মাঝখানে নির্মাণ না করে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে উপজেলা ও পৌরসভা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছে ইজারাদার ও কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা।

চৌগাছা কাঁচামাল হাটের ৫৮ ব্যবসায়ী স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন, মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য এপ্রিল মাসে চৌগাছা পাইকারি কাঁচাবাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে জায়গা মাপা হয়েছে। এখানে আমরা ১১০ জন ব্যবসায়ী এবং সহযোগী ব্যবসায়ী হিসাবে ১৫০ জন ব্যবসা করি। এখানে প্রত্যেকটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৫ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছে। এ জায়গায় মসজিদ নির্মাণ হলে প্রায় ২০০ পরিবার আর্থিকভাবে চরম দুর্দশায় পতিত হবে এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে পথে বসতে হবে। মসজিদটি হাটের মাঝখানে নির্মাণ না করে স্থানান্তরের দাবি আমাদের।

ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু বলেন, ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকায় আমি হাটের ইজারাদার হিসাবে নিযুক্ত হয়েছি। প্রায় ৩ মাস হাটের ইজারা আদায় করছি। চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণে উপজেলা প্রশাসন কাঁচাবাজার মাঠে দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে স্থান প্রস্তাব করেছেন। কিন্তু সেখানে প্রায় ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ আছে। এখানে মসজিদ নির্মাণ করা হলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হবে আমাদের।

তিনি আরও বলেন, একটি মহল হাটের মাঝামাঝি জায়গায় মসজিদটি স্থাপনের জন্য ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস করে ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। এতে করে সর্ববৃহৎ কাঁচাবাজার ধ্বংসের পায়তারা চলছে। যদি এখানে মসজিদ নির্মাণ করতে হয়, তাহলে ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এ বিষয়ে চৌগাছা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান বলেন, ২৯ জুন চৌগাছা মডেল মসজিদের অনুমোদন হয়েছে। ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সবাই বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, আমরা সরেজমিনে দেখেছি। মসজিদ নির্মাণের জন্য কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাজারে নতুন মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের দোকান দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।