ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিখোঁজের ১৮ ঘন্টা পর মাছের ঘেরে ব্যবসায়ীর মৃতদেহ

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি

নিখোঁজের ১৮ ঘন্টা পর ওমর আলী (৫৮) নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামে মজুমদার ওয়েল মিলের পেছনে তার নিজের মাছের ঘের থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ওমর আলী চেঙ্গুটিয়া গ্রামের বুড়োর দোকান সংলগ্ন মৃত মোসলেম গাজীর ছেলে।

তিনি মৃগী রোগী ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

ওমর আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম বলেন, ‘রবিবার বিকালে নামাজ পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আমার স্বামী। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরে না আসলে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। রবিবার সকালে নিজেদের মাছের ঘেরে গিয়ে দেখা যায় তার মরদেহ পানিতে ভেসে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামী একজন মৃগী রোগী ছিলেন। এছাড়া তিনবার স্ট্রোক করেছিল। যে কারণে তার ব্রেনে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ময়নাতদন্ত না করতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে। কারণ মৃত্যু নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।’

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত ব্যক্তি একজন মৃগী রোগী ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিখোঁজের ১৮ ঘন্টা পর মাছের ঘেরে ব্যবসায়ীর মৃতদেহ

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

নিখোঁজের ১৮ ঘন্টা পর ওমর আলী (৫৮) নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামে মজুমদার ওয়েল মিলের পেছনে তার নিজের মাছের ঘের থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ওমর আলী চেঙ্গুটিয়া গ্রামের বুড়োর দোকান সংলগ্ন মৃত মোসলেম গাজীর ছেলে।

তিনি মৃগী রোগী ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

ওমর আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম বলেন, ‘রবিবার বিকালে নামাজ পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আমার স্বামী। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরে না আসলে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। রবিবার সকালে নিজেদের মাছের ঘেরে গিয়ে দেখা যায় তার মরদেহ পানিতে ভেসে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামী একজন মৃগী রোগী ছিলেন। এছাড়া তিনবার স্ট্রোক করেছিল। যে কারণে তার ব্রেনে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ময়নাতদন্ত না করতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে। কারণ মৃত্যু নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।’

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত ব্যক্তি একজন মৃগী রোগী ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।’