যশোর শিক্ষা বোর্ড
চেক জালিয়াতি ও পৌনে ৭ কোটি টাকা আত্মসাত মামলার দুই আসামি কারাগারে
- আপডেট সময় : ০২:২১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে পৌনে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার আত্মসমর্পণকারী গাজী নূর ইসলাম ও আশরাফুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
মঙ্গলবার বিকেলে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন। গাজী নুর ইসলাম শহরের পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা ও আশরাফুল আলম শহরতলীর শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার বাসিন্দা।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২১ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ৩৮টি চেক ঘষামাজা করে পৌনে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা হয়।
২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল-আমিন শিক্ষা বোর্ডের আলোচিত চেক দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষে ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
আসামিরা হলেন : যশোর শিক্ষা বোর্ডের বরখাস্ত হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম, ঠিকাদার ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক শরিফুল ইসলাম বাবু, শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল আলম, পোস্ট অফিসপাড়ার গাজী নূর ইসলাম, বড়বাজার জামে মসজিদ লেনের প্রত্যাশা প্রিন্টিং প্রেসের মালিক রুপালী খাতুন, উপশহর ই-ব্লকের সহিদুল ইসলাম, রকিব মোস্তফা, শিক্ষা বোর্ডের সহকারী মূল্যায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, নিম্নমান সহকারী জুলফিকার আলী, চেক ডেসপাসকারী মিজানুর রহমান ও কবির হোসেন।
চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এ মামলার চার্জশিটের উপর শুনানি শেষে চার্জশিট গ্রহণ ও অভিযুক্ত ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছিল আদালত। এ মামলার আসামি গাজী নুর ইসলাম ও আশরাফুল আলম দীর্ঘদিন পলাতক থেকে পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।



















