ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মাদরাসা ছাত্রী অপহরণ, যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ ২৮১ বার পড়া হয়েছে

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, যশোর -ফাইল ছবি

যশোরের কেশবপুরে এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে মতিয়ার রহমান মতি নামে এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ (বুধবার) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক গোলাম কবির এই রায় ঘোষণা করেন।

আসামি মতিয়ার রহমান মতি কেশবপুর উপজেলার লক্ষীনাথকাটি মাঝেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভিকটিম একই এলাকার বাসিন্দা জামসেদ আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মতি দীর্ঘদিন ভিকটিমকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় নিয়মিত উত্যক্ত করতেন তিনি। ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন বউ দেখতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথে স্থানীয় আহাদের দোকান সংলগ্ন এলাকা থেকে মতি ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

৯ জানুয়ারি ভিকটিমের মা আকলিমা খাতুন কেশবপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ যশোর সদর উপজেলার শেখহাটি এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত মতিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি কেশবপুর থানা পুলিশ মতির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদরাসা ছাত্রী অপহরণ, যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

যশোরের কেশবপুরে এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে মতিয়ার রহমান মতি নামে এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ (বুধবার) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক গোলাম কবির এই রায় ঘোষণা করেন।

আসামি মতিয়ার রহমান মতি কেশবপুর উপজেলার লক্ষীনাথকাটি মাঝেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভিকটিম একই এলাকার বাসিন্দা জামসেদ আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মতি দীর্ঘদিন ভিকটিমকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় নিয়মিত উত্যক্ত করতেন তিনি। ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন বউ দেখতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথে স্থানীয় আহাদের দোকান সংলগ্ন এলাকা থেকে মতি ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

৯ জানুয়ারি ভিকটিমের মা আকলিমা খাতুন কেশবপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ যশোর সদর উপজেলার শেখহাটি এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত মতিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি কেশবপুর থানা পুলিশ মতির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।