যশোরে সেমিনারে তথ্য
ধান চাষে পানি সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি জনপ্রিয় হচ্ছে
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
ধান চাষে পানি সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। এই পদ্ধতিতে চাষিদের সেচের ২৫-৩০ শতাংশ সাশ্রয় হচ্ছে। ধানে কুশি বেশি হয়। ধান গাছ কিছুটা আগে পাকে। রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম হয়। ক্ষতিকর গ্রিণহাউজ নিঃসরণ কমায়। এই পদ্ধতি পরিবেশের জন্য উপকারী। যশোরের শার্শা ও চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে আর্সেনিক এবং খরাপ্রবণ এলাকায় এডাব্লিউডি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের সমাপনী সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) ওবায়দুর রহমান মন্ডল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক হাসান ওয়ারিসুল কবীর। সেমিনারে গবেষণা তথ্য উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. আবিয়ার রহমান ও ড. শামীম উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, সেচ পাম্প মালিক, এনজিও প্রতিনিধি ও প্রকল্পের কর্মকর্তাগণ।
ধান চাষে টেকসই পানি-সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি প্রচারের জন্য এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে আর্সেনিক এবং খরাপ্রবণ এলাকায় এডাব্লিউডি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের অধীনে যশোর জেলার শার্শা ও চুয়াডাঙ্গা উপজেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় বাস্তবায়ন করেছে।
২০২৪ সালের ১৩ মার্চ থেকে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ এক বছর মেয়াদে প্রকল্পটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ও জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয়েছে।
সেমিনারে পানি-সাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থাপনা করতে এডাব্লিউডি পাইপ ব্যবহার করে বিকল্প ভেজা এবং শুকানোর প্রযুক্তি প্রচার করা, ধানে আর্সেনিকের দূষণ কমাতে জাপানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনএআরও ধান চাষের উপর গবেষণা, টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনা করতে মাটির স্বাস্থ্য এবং উৎপাদনশীলতা উন্নত করতে কৃষকদের ভার্মিকম্পোস্ট-ভিত্তিক জৈব চাষ উৎপাদন ও ব্যবহারে উৎসাহিত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রবণতা ও প্রভাব মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে প্রকল্পের ফলাফল, বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ আলোচনা করা হয়।



















